error code: 520
দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের চাপ আরও বেড়েছে। চলতি বছরের মার্চ শেষে দেশের ৬১টি তফসিলি ব্যাংকের মোট খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা, যা গত বছরের ডিসেম্বর শেষে ছিল ৫ লাখ ৫৭ হাজার ২১৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ মাত্র তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা। একই সময়ে খেলাপি ঋণের হার ২৯ দশমিক ৯২ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশে পৌঁছেছে। এছাড়াও এক বছরের ব্যবধানে খেলাপি ঋণ বেড়েছে এক লাখ ৬৮ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা। অর্থাৎ ২০২৫ সালের মার্চ মাসে খেলাপি ঋণ ছিল চার লাখ ২০ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা। মঙ্গলবার (২ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের মার্চ ২০২৬ ভিত্তিক শ্রেণিকৃত ঋণ ও প্রভিশন সংক্রান্ত প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্চ শেষে ব্যাংক খাতে মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ২৪ হাজার ৬৬৮ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে শ্রেণিকৃত বা মন্দ ঋণের পরিমাণ ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। ডিসেম্বর শেষে এ পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৫৭ হাজার ২১৬ কোটি ৯২ লাখ টাকা। ফলে এক প্রান্তিকে শ্রেণিকৃত ঋণ বেড়েছে ৩১ হাজার ৪৮৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা। একই সময়ে মোট শ্রেণিকৃত ঋণের হার ৩০ দশমিক ৬০ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশে উঠেছে। ব্যাংকভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর শ্রেণিকৃত ঋণের হার ডিসেম্বরের ৪৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ থেকে মার্চে ৪৫ দশমিক ৮৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। একই সময়ে বেসরকারি ব্যাংকে এ হার ২৮ দশমিক ২৫ শতাংশ থেকে ৩০ দশমিক ১১ শতাংশে, বিদেশি ব্যাংকে ৪ দশমিক ৫১ শতাংশ থেকে ৪ দশমিক ৮২ শতাংশে এবং বিশেষায়িত ব্যাংকে ৩৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ থেকে ৪০ দশমিক ৭২ শতাংশে বেড়েছে। মার্চ শেষে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মোট শ্রেণিকৃত ঋণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৭৮৪ কোটি ৯৮ লাখ টাকা, যা ডিসেম্বর শেষে ছিল ১ লাখ ৪৬ হাজার ১০৭ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে এ ঋণ ৩ লাখ ৮৯ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯ লাখ টাকা থেকে বেড়ে ৪ লাখ ১৬ হাজার ৪৮১ কোটি ৮২ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। বিদেশি ব্যাংকগুলোর শ্রেণিকৃত ঋণ ২ হাজার ৯৮৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা থেকে বেড়ে ৩ হাজার ২৬২ কোটি ৭৬ লাখ টাকা হয়েছে। বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোতে তা ১৮ হাজার ৫৪৬ কোটি ৪৭ লাখ টাকা থেকে বেড়ে ১৯ হাজার ১৭৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। মার্চ শেষে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের হার দাঁড়িয়েছে ৪৫ দশমিক ২১ শতাংশ, যা ডিসেম্বর শেষে ছিল ৪৩ শতাংশের বেশি। বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণের হার ২৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ, বিদেশি ব্যাংকে ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ এবং বিশেষায়িত ব্যাংকে ৩৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ। পরিমাণের দিক থেকে বেসরকারি ব্যাংকগুলোতেই সবচেয়ে বেশি খেলাপি ঋণ রয়েছে। মার্চ শেষে এসব ব্যাংকের খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৯৬ হাজার ৫৫ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ ১ লাখ ৪৭ হাজার ৭০৯ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। বিদেশি ব্যাংকে ২ হাজার ৬৯৫ কোটি ৯২ লাখ এবং বিশেষায়িত ব্যাংকে ১৭ হাজার ৬৪৩ কোটি ৮৫ লাখ টাকা খেলাপি ঋণ রয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্যাংক খাতে ঋণ বিতরণ বাড়লেও তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়ছে খেলাপি ঋণ ও প্রভিশন ঘাটতি। মার্চ ২০২৫ থেকে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত এক বছরে মোট ঋণ বিতরণ ৮২ হাজার ৬৭৬ কোটি ৩৫ লাখ টাকা বা ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেড়েছে। তবে একই সময়ে খেলাপি ঋণের হারও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ব্যাংক খাতের ঝুঁকি আরও বাড়িয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে ৩ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া একটি প্রতিষ্ঠানের যৌথ মালিক খুরশীদ আলমের স্ত্রী। ওই ঋণ পরবর্তীতে খেলাপি হয়েছে। তবে খুরশীদ আলম ব্যক্তিগতভাবে ওই ঋণের গ্রহীতা নন এবং তাকে ঋণ খেলাপি হিসেবে অভিহিত করাও সঠিক হবে না।
খুরশীদ আলমকে ঘিরে আলোচিত আরেকটি বিষয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, রংপুর অফিসে দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছিল, সে সময় তদন্তের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে বিষয়টি পুনর্মূল্যায়ন করা হয়।
তিনি বলেন, সে সময় খুরশীদ আলমের বিরুদ্ধে ভুল তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছিল। ফলে তাকে যে শাস্তি দেওয়া হয়েছিল, তা যথাযথ ছিল না বলে পরে প্রতীয়মান হয়। এ কারণেই পরবর্তীতে তিনি নির্বাহী পরিচালক এবং পরে ডেপুটি গভর্নর হিসেবে পদোন্নতি পান।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নথি অনুযায়ী, রংপুর অফিসে মহাব্যবস্থাপক থাকাকালে তার বিরুদ্ধে ৫৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর ২০১৮ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগ একটি অফিস আদেশ জারি করে। ওই আদেশে বাংলাদেশ ব্যাংক স্টাফ রেগুলেশনস-২০০৩-এর ৪৪(১)(বি) ধারা অনুযায়ী তার দুটি বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি (ইনক্রিমেন্ট) স্থগিত করা হয়।
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে খুরশীদ আলমের নিয়োগ নিয়েও সাম্প্রতিক সময়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এ প্রসঙ্গে আরিফ হোসেন খান বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের সিদ্ধান্তকে সঠিক বলে মনে করে এবং কোনো আন্দোলন বা চাপের মুখে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের প্রশ্নই আসে না।
তিনি বলেন, কোনো পক্ষের আন্দোলনের কারণে যদি একটি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে অন্য পক্ষও একইভাবে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের দাবি তুলবে। এভাবে কোনো নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হতে পারে না।
ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ভার্চুয়াল সভার অনুমতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশেষ পরিস্থিতির কারণে ব্যাংকটির পক্ষ থেকে অনলাইন সভার অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশ ব্যাংক সেই অনুমোদন দিয়েছে। বিশেষ পরিস্থিতিতে ভার্চুয়াল মাধ্যমে পরিচালনা পর্ষদের সভা আয়োজনের ক্ষেত্রে কোনো বিধিনিষেধ নেই।
]]>স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতির সময় তিন বছর বাড়ানোর বিষয়ে ইতিবাচক অবস্থান জানিয়েছে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি)। সংস্থাটি বাংলাদেশের অনুরোধ অনুযায়ী প্রস্তুতির মেয়াদ ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধির পক্ষে মত দিয়েছে।
সোমবার (২ জুন) অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। এতে বলা হয়, সিডিপির চেয়ারম্যান অধ্যাপক হোসে আন্তোনিও ওকাম্পো বিষয়টি বাংলাদেশ সরকারকে অবহিত করেছেন। কমিটির মূল্যায়ন অনুযায়ী, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সময় বৃদ্ধি করলে তা যথাযথ হবে। তবে এ সময়ের মধ্যে দেশের কাঠামোগত দুর্বলতা দূর করতে প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রমে দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সরকার এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতির সময় তিন বছর বাড়িয়ে ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত করার অনুরোধ জানায়। পরে ৬ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে সহযোগিতা চেয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে চিঠি পাঠান।
সিডিপির মূল্যায়নে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ এলডিসি উত্তরণের তিনটি সূচকেই নির্ধারিত সীমা উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে অতিক্রম করেছে। নিকট ও মধ্যমেয়াদে পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকিও খুবই কম। তবে মধ্যপ্রাচ্য সংকট, বৈশ্বিক জ্বালানি ও সরবরাহব্যবস্থার অনিশ্চয়তা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরিবেশের পরিবর্তন উত্তরণ প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে।
কমিটি মনে করে, প্রস্তুতির সময় বাড়ানো হলে বৈশ্বিক পরিস্থিতি আরও ভালোভাবে বিশ্লেষণ, অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং উত্তরণ-পরবর্তী সুবিধা ও আন্তর্জাতিক সহায়তার জন্য যথাযথ প্রস্তুতির সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে সহজ শর্তে অর্থায়ন, কারিগরি সহায়তা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বৈশ্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছে সিডিপি।
নতুন এ কারখানার মাধ্যমে GBML অর্জন করেছে একটি বড় মাইলফলক। এটি এখন চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় পেভমেন্ট টাইলস প্রস্তুতকারক এবং একমাত্র ফেয়ার–ফেস কংক্রিট ব্লক নির্মাতা। আধুনিক প্রযুক্তি-সজ্জিত এই কারখানায় প্রতি ঘণ্টায় ১,০০০ বর্গফুট প্রিমিয়াম মানের পেভমেন্ট টাইলস এবং প্রতিদিন ১৬,০০০ ফেয়ার–ফেস কংক্রিট ব্লক উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।
GBML-এর সব পণ্যই বুয়েট পরীক্ষিত, যা তাদের দৃঢ়তা, স্থায়িত্ব ও নান্দনিক গুণগত মানের জন্য দেশের শীর্ষস্থানীয় স্থপতিদের আস্থাভাজন।
গ্রাসহপার গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এম. মাহমুদুর রশিদ বলেন:
“চট্টগ্রাম থেকে আমরা দীর্ঘদিন ধরে ব্যাপক চাহিদা পাচ্ছি। কিন্তু আমাদের সাভার কারখানা থেকে সরবরাহ করা ব্যয়বহুল ও চ্যালেঞ্জিং ছিল। তাই আমরা এই নতুন কারখানায় বিনিয়োগ করেছি, যাতে স্থানীয় বাজারকে আরও দক্ষতার সঙ্গে সেবা দিতে পারি। ইনশাআল্লাহ, শিগগিরই আমরা সারা দেশে আমাদের কারখানা প্রতিষ্ঠা করব।”
চট্টগ্রামের এই কারখানাটি স্থানীয় নির্মাণ শিল্পে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করছে। একই সঙ্গে এটি বেশ কিছু কর্মসংস্থান তৈরি করছে, যার মধ্যে নারীদের অংশগ্রহণও রয়েছে, এবং স্থানীয় সরবরাহকারীদের ব্যবসায় নতুন গতি যোগ করছে।

গ্রাসহপার গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. তানজির ওমর ফারুক বলেন:
“আমরা সরাসরি জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (UN SDGs)-তে অবদান রাখছি। আমাদের লক্ষ্য হলো প্রচলিত নির্মাণ সামগ্রীর পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব উপকরণকে প্রতিষ্ঠা করা। পাশাপাশি আমাদের কারখানাগুলোতে আমরা পরিবেশবান্ধব কার্যক্রমে গুরুত্ব দিচ্ছি—যেমন বনায়ন কর্মসূচি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার এবং বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ।”
GBML পরিচালক ও গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের প্রধান আর্কিটেক্ট ড. এম. মাসুদ উর রশিদ যোগ করেন:
“আমরা নিয়মিত নতুন ধারণা ও প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছি। আমাদের লক্ষ্য হলো এমন নির্মাণ সামগ্রী তৈরি করা, যা আরও হালকা, আরও মজবুত এবং নিখুঁত ফিনিশিং সহ টেকসই হয়। চট্টগ্রাম কারখানার মাধ্যমে আমরা স্থানীয় বাজারে সর্বোচ্চ মানসম্পন্ন ও পরিবেশবান্ধব সমাধান পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
উদ্ভাবন ও উৎকর্ষ GBML-এর মূল চালিকাশক্তি। প্রতিষ্ঠানটি ক্রমাগত গবেষণা ও উন্নয়নে বিনিয়োগ করছে, যাতে গ্রাহকদের জন্য টেকসই, উচ্চ-কার্যক্ষম এবং নান্দনিক পণ্য সরবরাহ করা যায়। পরিবেশ ও কর্মক্ষমতার প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকার নিয়ে GBML প্রতিশ্রুতিবদ্ধ একটি সবুজ ও টেকসই নির্মাণশিল্পের ভবিষ্যৎ গড়তে।
]]>বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ (এফইপিডি) থেকে বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) রাতে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে যেসব পণ্য জাহাজীকরণ করা হবে, শুধু সেগুলোর ক্ষেত্রেই এ প্রণোদনা প্রযোজ্য হবে। এর বাইরে রপ্তানি হওয়া পণ্য এ সুবিধার আওতায় আসবে না।
ইউরোপীয় ইউনিয়নে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ১৭.৬১ শতাংশ
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, শুল্ক বন্ড বা ডিউটি-ড্র-ব্যাক সুবিধার আওতায় রপ্তানিকৃত পণ্যও এ নগদ সহায়তা পাবে। তবে প্রণোদনার ক্ষেত্রে বিদ্যমান নীতিমালা ও শর্তাবলি অপরিবর্তিত থাকবে।
এছাড়া অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোকে প্রণোদনা বিতরণের সময় প্রযোজ্য নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী ও প্রধান কার্যালয়গুলোতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও পাঠানো হয়েছে।
]]>২০২৪ সালের মে মাসে ভারতে বাংলাদেশিদের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে লেনদেন হয়েছিল ৭৬ কোটি ৫ লাখ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে ২০২৫ সালের মে মাসে তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ২১ কোটি টাকায়। অর্থাৎ, এ সময়ে ভারতে লেনদেন কমেছে ৫৫ কোটি টাকা। এমনকি মাসিক হিসাবেও পতন দেখা গেছে—এপ্রিলে যেখানে লেনদেন ছিল ৩১ কোটি, মে মাসে তা নেমেছে ২১ কোটিতে।
এই ধসের পেছনে মূল কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে রাজনৈতিক পরিবর্তনকে। গত বছরের ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান ও আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারত সরকার বাংলাদেশের নাগরিকদের ভিসায় কড়াকড়ি আরোপ করে। এর ফলে ভারতে ভ্রমণ ও খরচ—দু’টিই কমে গেছে। ফলে একসময় সর্বোচ্চ লেনদেনকারী দেশ ভারত এখন নেমে এসেছে ৭ নম্বরে।
অন্যদিকে, চীনে বাংলাদেশিদের ক্রেডিট কার্ড লেনদেনে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি হয়েছে। ২০২৫ সালের মে মাসে চীনে এই লেনদেন দাঁড়িয়েছে ৪০ কোটি ৪ লাখ টাকায়, যেখানে এপ্রিলে তা ছিল ১১ কোটি ৩ লাখ টাকা। মাত্র এক মাসে লেনদেন বেড়েছে ২৯ কোটি টাকার বেশি। আশ্চর্যের বিষয়, গত বছরের মে মাসে চীনের নাম ছিলই না শীর্ষ লেনদেন তালিকায়—আর এবার দেশটি উঠে এসেছে দ্বিতীয় স্থানে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে আরও দেখা যাচ্ছে, ২০২৫ সালের মে মাসে বিদেশে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে বাংলাদেশের নাগরিকরা মোট ৩৮৬ কোটি ৫ লাখ টাকা খরচ করেছেন। আগের মাস এপ্রিলের তুলনায় যা ৮১ কোটি ২ লাখ টাকা কম। এমনকি গত বছরের মে মাসের তুলনায়ও ৭০ কোটি টাকার ঘাটতি দেখা গেছে, যেখানে তখনকার লেনদেন ছিল ৪৫৬ কোটি ৫ লাখ টাকা।
বিদেশে বাংলাদেশি কার্ডধারীদের খরচের দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র—৫৩ কোটি ৫ লাখ টাকা। এরপর রয়েছে চীন (৪০ কোটি), থাইল্যান্ড (৩৫ কোটি), যুক্তরাজ্য (৩৪ কোটি), সিঙ্গাপুর (৩২ কোটি), মালয়েশিয়া (২৪ কোটি), নেদারল্যান্ড ও সৌদি আরব (১৭ কোটি করে), কানাডা (১৬ কোটি), ইউএই (১৩ কোটি) এবং অস্ট্রেলিয়া (১২ কোটি টাকা)। অন্যান্য দেশে খরচ হয়েছে ৬৭ কোটি টাকা।
ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, সরকার পরিবর্তনের পর অনেক রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দ হয়েছে। ফলে অনেকের কার্ড কার্যত নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে। এমনকি অ্যাকাউন্টে টাকা থাকলেও বিদেশে তা ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
অন্যদিকে, বাংলাদেশে এসে বিদেশিদের ক্রেডিট কার্ডে খরচ বেড়েছে। এপ্রিল মাসে যেখানে এই খরচ ছিল ২৬২ কোটি টাকা, মে মাসে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭৭ কোটি টাকায়। ১৫ কোটি টাকার এই বাড়তির পেছনেও যুক্তরাষ্ট্র রয়েছে শীর্ষে—দেশটির নাগরিকরা খরচ করেছেন ১১৭ কোটি টাকা। দ্বিতীয় অবস্থানে যুক্তরাজ্য (২১ কোটি) এবং তৃতীয় অবস্থানে ভারত (১৬ কোটি) রয়েছে।
দেশের অভ্যন্তরেও ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। এপ্রিল মাসে যেখানে লেনদেন ছিল ৩ হাজার ১৬ কোটি টাকা, মে মাসে তা বেড়ে হয়েছে ৩ হাজার ২২০ কোটি টাকা—মাত্র এক মাসে ২০৪ কোটি টাকার প্রবৃদ্ধি।
]]>দেশে রেমিট্যান্স আসার ক্ষেত্রে শীর্ষ ১০ দেশের তালিকার মধ্যে রয়েছে- সৌদি আরব, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, ওমান, ইতালি, কুয়েক, কাতার ও সিঙ্গাপুর।
কোন দেশ থেকে কত রেমিট্যান্স আসে
গত জুনে দেশে আসা ২৮২ কোটি ১২ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্সের মধ্যে শীর্ষে থাকা সৌদি আরবের সঙ্গে রয়েছে যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ কয়েকটি দেশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন বলছে, জুনে সৌদি প্রবাসীরা দেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। দেশটি থেকে রেমিট্যান্স এসেছে ৪৬ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার। মাসটিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৬ কোটি ২০ লাখ ৬০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে যুক্তরাজ্য থেকে।
আর মালয়েশিয়া, আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, ওমান, ইতালি, কুয়েত, কাতার ও সিঙ্গাপুর থেকে জুনে রেমিট্যান্স এসেছে যথাক্রমে ৩৫ কোটি ৮৮ লাখ ডলার, ৩২ কোটি ৩৯ লাখ ১০ হাজার, ২৩ কোটি ৮১ লাখ ৩০ হাজার ডলার, ১৭ কোটি ১৮ লাখ ৪০ হাজার ডলার, ১৬ কোটি ৪৭ লাখ ২০ হাজার ডলার, ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার, ১১ কোটি ৬৬ লাখ ডলার, ৯ কোটি ৫৯ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার।
গত মে মাসে মোট ২৯৭ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে দেশে। যার মধ্যে সৌদি আরব থেকে এসেছে ৫৩ কোটি ৩৪ লাখ ডলার। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে এসেছে ৩৫ কোটি ১৫ লাখ ডলার। এছাড়া ৩৪ কোটি ৬৮ লাখ ডলার নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য, চতুর্থ অবস্থানে মালয়েশিয়া ৩৪ কোটি ডলার এবং পঞ্চম অবস্থানে থাকা যুক্তরাষ্ট্র থেকে এসেছে ২২ কোটি ৩৬ লাখ ডলার।
পর্যায়ক্রমে শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় অন্য দেশগুলো হলো ওমান, ইতালি, কুয়েত, কাতার ও সিঙ্গাপুর থেকে এসেছে যথাক্রমে ১৮ কোটি ১৩ লাখ ৯০ হাজার, ১৫ কোটি ৮৮ লাখ ৮০ হাজার, ১৪ কোটি ২ লাখ ২০ হাজার, ১৩ কোটি ৬৪ লাখ ৮০ হাজার ও ১০ কোটি ৯০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স।
এপ্রিলে দেশে এসেছে ২৭৫ কোটি ১৯ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। মাসটিতে সৌদি প্রবাসীরা দেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। দেশটি থেকে রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ ৪৯ কোটি ১৪ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৭ কোটি ২১ লাখ ৭০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে আরব আমিরাত থেকে।
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, কুয়েত, ইতালি, ওমান, সিঙ্গাপুর ও কাতার থেকে এপ্রিলে রেমিট্যান্স এসেছে যথাক্রমে ৩৩ কোটি ৭ লাখ ৪০ হাজার, ২৯ কোটি ৪১ লাখ, ২১ কোটি ৯ লাখ, ১৬ কোটি ২৭ লাখ ৩০ হাজার, ১৫ কোটি ৫ লাখ ৯০ হাজার, ১৪ কোটি ৮৩ লাখ ৪০ হাজার, ১১ কোটি ৮৫ লাখ ৮০ হাজার ও ১০ কোটি ৪২ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার।
]]>বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান বাণিজ্য সচিব। এর আগে অবশ্য বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ইউএসটিআরের সঙ্গে শুক্রবার অনলাইনে একটি বৈঠক হতে পারে।
বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর বলেন, ‘শুল্ক ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তরের সঙ্গে সভা শুক্রবার নয়, আগামী ২৯ জুলাই হবে। সভাটি অনলাইন কিংবা ফিজিক্যালি যে কোনোভাবে হতে পারে। এমনটি ইউএসটিআরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। শুক্রবারের মিটিংয়ে বিষয়ে তারা কিছু জানায়নি।’
৩৫ শতাংশ পাল্টা শুল্কের তৃতীয় দফার আলোচনার জন্য বারবার যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে মিটিংয়ের সময় চেয়ে অপেক্ষা করছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। বেশ কিছু সভা-সেমিনার যুক্তরাষ্ট্রকে কোন কোন বিষয়ে সুবিধা দেওয়া হবে তা ইতোমধ্যেই ইউএসটিআরকে জানানো হয়েছে।
এদিকে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েও রেখেছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে শেখ বশিরউদ্দীন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ নিয়ে বাংলাদেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে কোনো কাজ করা হবে না। একই সঙ্গে শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের একটি অনলাইন হতে পারে। তার ওপর ভিত্তি করে আমরা আমাদের পরবর্তি কার্যক্রম নির্ধারণ করবো।
]]>বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্যালেন্স অব পেমেন্ট অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল (বিপিএম-৬) অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ ২ হাজার ৪৯৮ কোটি ৮২ লাখ ৪০ হাজার ডলার, অর্থাৎ প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার। আর বাংলাদেশ ব্যাংকে নিজস্ব হিসাব অনুযায়ী দেশের রিজার্ভের পরিমাণ এখন আবারও ৩০ বিলিয়ন ডলারের ঘরে পৌঁছেছে।
এর আগে গত ৩ জুলাই পর্যন্ত দেশে মোট রিজার্ভ ছিল ৩১ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী তা ছিল ২৬ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার। ওই সময় ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ ছিল ২০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।
জুলাই মাসের শুরুতে বাংলাদেশ ব্যাংক এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) সদস্যদের কাছে ২ দশমিক ০২ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছে। এত বড় অঙ্কের পরিশোধের পরও রিজার্ভে বড় ধাক্কা লাগেনি। বরং রিজার্ভ স্থিতিশীল রয়েছে এবং ১৬ জুলাই শেষে তা দাঁড়ায় ২৯ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলারে। বিপিএম-৬ অনুযায়ী হিসাব করলে সেই সময় রিজার্ভ ছিল ২৪ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ডলার।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করছে, রপ্তানি আয় এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় রিজার্ভে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে।
]]>ইভেন্টটি আয়োজন করে ইন্ডিগো কার্গোর জিএসএ, রেনেসাঁ অ্যাভিয়েশন সার্ভিসেস লিমিটেড। এটি এমজিএইচ গ্রুপের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান। এতে শীর্ষস্থানীয় লজিস্টিক পার্টনার, এজেন্ট, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশের (সিএএবি) প্রতিনিধি এবং বিমান বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
ইভেন্টে ইন্ডিগো কার্গোর চিফ কমার্শিয়াল অফিসার মার্ক সাচ, ভাইস প্রেসিডেন্ট ভিপিন মোহলা এবং এমজিএইচ গ্রুপের সিইও আনিস আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা ইন্ডিগো কার্গোর সাফল্য এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন।
মার্ক সাচ বলেন, ‘এই ইভেন্ট আমাদের অংশীদারত্ব এবং যৌথ সাফল্যের উদ্যাপন। আমাদের এজেন্টরা সেবার মান উন্নয়ন এবং অপারেশনাল দক্ষতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।’