Category: লিড নিউজ

  • নিহত পরিবারের সঙ্গে বিমানবাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ, সহায়তার আশ্বাস

    নিহত পরিবারের সঙ্গে বিমানবাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ, সহায়তার আশ্বাস

    মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহত ভাই-বোন তাহনিয়া আশরাফ নাজিফা ও আরিয়ান আশরাফ নাফি এবং মাহিত হাসান আরিয়ানের পরিবারের সঙ্গে সস্ত্রীক সাক্ষাৎ করেছেন বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান। এসময় তিনি শোকাহত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন।

    শুক্রবার (২৫ জুলাই) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুধুমাত্র বিমানবাহিনী প্রধান নয়, একজন পিতা ও অভিভাবক হিসেবে তিনি শোকে কাতর পরিবারগুলোর এই কঠিন সময়ে তাদের দুঃখগুলো ভাগ করে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এসময় বিমান বাহিনীর প্রধান জানান, কোনো ভাষাতেই এই শোক প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তিনি এই পরিবারগুলোকে যেকোনো প্রয়োজনে সর্বোচ্চ সহায়তার আশ্বাস দেন।

    বিমানবাহিনী প্রধানের পত্নী বাংলাদেশ বিমান বাহিনী মহিলা কল্যাণ সমিতির (বাফওয়া) সভানেত্রী সালেহা খান এসময় শোকাহত মায়েদের পাশে থাকার প্রত্যয় জানান।

    বিমানবাহিনী প্রধান সস্ত্রীক নিহত শিশুদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

    ঢাকার তুরাগে বিমানবাহিনী প্রধানের পক্ষ থেকে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নিহত শিশুদের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়।

    শুক্রবার বিমানবাহিনী প্রধানের পক্ষ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার সোহাগপুর গ্রামে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষিকা মাসুকা বেগমের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়।

    পাশাপাশি এবং বিমান দুর্ঘটনায় নিহত পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মো. তৌকির ইসলামের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় রাজশাহীর সপুরায় কবর জিয়ারত করা হয়।

    একইদিনে জুমার নামাজের পর উত্তরার তাফালিয়া ক্রিকেট একাডেমি মাঠ প্রাঙ্গণে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী তাসনিম আফরোজ আয়মানের (১০) জানাজায় বিমানবাহিনীর একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। এবং নিহতের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হয়।

    আইএসপিআর আরও জানায়, শুক্রবার বিমান দুর্ঘটনায় শাহাদাত বরণকারীদের রুহের মাগফিরাত ও আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনায় একযোগে সব ঘাঁটিতে অফিসার্স মেসে দোয়া ও মাহফিলের আয়োজন করে বিমানবাহিনী।

    বিমানবাহিনী ঘাঁটি বীর উত্তম এ কে খন্দকারের (ঢাকা) অফিসার্স মেসে আয়োজিত বিশেষ দোয়া মাহফিলে সেনাবাহিনী প্রধান, বিমানবাহিনী প্রধান, প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ), সহকারী নৌবাহিনী প্রধান (পরিচালন), সাবেক বিমানবাহিনী প্রধান, সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, নিহত ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মো. তৌকির ইসলামের শোকসন্তপ্ত পরিবার এবং মাইলস্টোন স্কুল ও কলেজের আনুমানিক শতাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সমবেত হন।

    এসময় বাহিনী প্রধানেরা শোকার্ত পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং যে কোনো প্রয়োজনে সর্বোচ্চ সহায়তার আশ্বাস দেন।

    একইদিনে পবিত্র জুমার নামাজের পর একযোগে বিমানবাহিনীর সব ঘাঁটি ও ইউনিটের মসজিদগুলোতে বিমান দুর্ঘটনায় শাহাদাত বরণকারীদের রুহের মাগফেরাত ও আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

  • ইসলামী ব্যাংকে গ্রাহককে হাতুড়ি পেটা, তিন কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

    ইসলামী ব্যাংকে গ্রাহককে হাতুড়ি পেটা, তিন কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

    খুলনার ফুলতলায় ইসলামী ব্যাংকের একটি শাখার স্টোর কক্ষে এক স্কুলশিক্ষককে আটকে রেখে চোখ-মুখ বেঁধে হাতুড়িপেটা এবং প্লায়ার্স দিয়ে নখ তোলার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় থানায় মামলা হলে তিনজন ব্যাংক কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- আশিক, মিজান ও মামুন। তারা ইসলামী ব্যাংকের ফুলতলা শাখার কর্মকর্তা।

    ভুক্তভোগী স্কুলশিক্ষক সাইফুল্লাহ হাজেরী (৩৫) ফুলতলা উপজেলার বেলেপুকুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। তার বাবা এ এইচ এম শফিউল্লাহ হাজেরী ইসলামী ব্যাংকের একটি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট (মেসার্স হাজেরী এন্টারপ্রাইজ)-এর স্বত্বাধিকারী।

    সাইফুল্লাহ অভিযোগ করেন, সম্প্রতি তিনি ব্যাংকে গেলে ৪-৫ জন কর্মকর্তা তাকে চোখ-মুখ বেঁধে স্টোর কক্ষে নিয়ে পায়ের তালু ও হাঁটুতে হাতুড়ি দিয়ে পেটান। একপর্যায়ে তারা প্লায়ার্স দিয়ে তার নখ তুলতে চান। পরে তার কাছ থেকে সাদা কাগজ, চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয়।

    পুলিশ জানিয়েছে, সম্প্রতি এই এজেন্ট ব্যাংক থেকে প্রায় ৪০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে যান ক্যাশ ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান ও মার্কেটিং অফিসার মনিরুল গাজী। এই ঘটনায় ব্যাংকের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এর জের ধরেই গত মঙ্গলবার বিকেলে সাইফুল্লাহকে ডেকে নিয়ে এই নির্যাতন চালানো হয় বলে অভিযোগ।

  • নতুন সংবিধানের জন্য আমরা রাজপথে নেমেছি : নাহিদ ইসলাম

    নতুন সংবিধানের জন্য আমরা রাজপথে নেমেছি : নাহিদ ইসলাম

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিচার, সংস্কার ও নতুন সংবিধানের জন্য আমরা রাজপথে নেমেছি। যেই সংবিধানে আপনার-আমার অধিকারের কথা থাকবে। সিলেটের মানুষের মর্যাদার কথা থাকবে।

    তিনি বলেন, আগামী ৩ আগস্ট আমরা শহীদ মিনারে জড়ো হচ্ছি। জুলাই ঘোষণাপত্র ও জুলাই সনদ আদায়ের লক্ষে। ইনশাআল্লাহ আমরা শহীদ মিনার থেকে তা আদায় করে ছাড়বো।

    শুক্রবার (২৫ জুলাই) বিকেলে ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’র অংশ হিসেবে সিলেটের শহীদ মিনারে এনসিপির আয়োজিত পদযাত্রা শেষে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, এই সিলেট থেকে ইসলামের সম্প্রীতি এবং ইনসাফের বাণী সারা বাংলাদেশে প্রচার হয়েছিল। আমরা আছি বহুজাতি ও বহু সংস্কৃতির অঞ্চলে। এইখানে ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক। ইতিহাস এবং সংস্কৃতির আলোকে আমাদের সিলেটকে দেখতে হবে।

    সিলেট প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, যুগযুগ ধরে সিলেট বাংলাদেশের ইতিহাসকে ধারন করে আছে। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং আমাদের জুলাই অভ্যুত্থানে সিলেট লড়াই করেছে বুক চিতিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে।

    তিনি বলেন, আমরা জানি লন্ডনে বাংলাদেশের অধিকাংশই হচ্ছে সিলেটি। সিলেটিরা লন্ডনকে জয় করেছে। বাংলাদেশকে জয় করেছে। আজকে লন্ডনের মসজিদে, স্কুলে, রেস্টুরেন্টে ও রাস্তায় আমার প্রবাসীর ভাইদের ঘামে বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা ঘোরে। আমরা সেইসব প্রবাসী ভাইদের ভোটাধিকারের কথা বলছি।

  • যে শীর্ষ ১০ দেশ থেকে যে পরিমাণ রেমিট্যান্স আসে

    যে শীর্ষ ১০ দেশ থেকে যে পরিমাণ রেমিট্যান্স আসে

    চলতি বছরের জুনে দেশে ২৮২ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে) যার পরিমাণ ৩৪ হাজার ৬৯৮ কোটি টাকা। মাসটিতে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রভাবশালী দেশ সৌদি আরব থেকে।

    দেশে রেমিট্যান্স আসার ক্ষেত্রে শীর্ষ ১০ দেশের তালিকার মধ্যে রয়েছে- সৌদি আরব, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, ওমান, ইতালি, কুয়েক, কাতার ও সিঙ্গাপুর।

    কোন দেশ থেকে কত রেমিট্যান্স আসে

    গত জুনে দেশে আসা ২৮২ কোটি ১২ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্সের মধ্যে শীর্ষে থাকা সৌদি আরবের সঙ্গে রয়েছে যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ কয়েকটি দেশ।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন বলছে, জুনে সৌদি প্রবাসীরা দেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। দেশটি থেকে রেমিট্যান্স এসেছে ৪৬ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার। মাসটিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৬ কোটি ২০ লাখ ৬০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে যুক্তরাজ্য থেকে।

    আর মালয়েশিয়া, আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, ওমান, ইতালি, কুয়েত, কাতার ও সিঙ্গাপুর থেকে জুনে রেমিট্যান্স এসেছে যথাক্রমে ৩৫ কোটি ৮৮ লাখ ডলার, ৩২ কোটি ৩৯ লাখ ১০ হাজার, ২৩ কোটি ৮১ লাখ ৩০ হাজার ডলার, ১৭ কোটি ১৮ লাখ ৪০ হাজার ডলার, ১৬ কোটি ৪৭ লাখ ২০ হাজার ডলার, ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার, ১১ কোটি ৬৬ লাখ ডলার, ৯ কোটি ৫৯ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার।

    গত মে মাসে মোট ২৯৭ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে দেশে। যার মধ্যে সৌদি আরব থেকে এসেছে ৫৩ কোটি ৩৪ লাখ ডলার। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে এসেছে ৩৫ কোটি ১৫ লাখ ডলার। এছাড়া ৩৪ কোটি ৬৮ লাখ ডলার নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য, চতুর্থ অবস্থানে মালয়েশিয়া ৩৪ কোটি ডলার এবং পঞ্চম অবস্থানে থাকা যুক্তরাষ্ট্র থেকে এসেছে ২২ কোটি ৩৬ লাখ ডলার।

    পর্যায়ক্রমে শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় অন্য দেশগুলো হলো ওমান, ইতালি, কুয়েত, কাতার ও সিঙ্গাপুর থেকে এসেছে যথাক্রমে ১৮ কোটি ১৩ লাখ ৯০ হাজার, ১৫ কোটি ৮৮ লাখ ৮০ হাজার, ১৪ কোটি ২ লাখ ২০ হাজার, ১৩ কোটি ৬৪ লাখ ৮০ হাজার ও ১০ কোটি ৯০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স।

    এপ্রিলে দেশে এসেছে ২৭৫ কোটি ১৯ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। মাসটিতে সৌদি প্রবাসীরা দেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। দেশটি থেকে রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ ৪৯ কোটি ১৪ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৭ কোটি ২১ লাখ ৭০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে আরব আমিরাত থেকে।

    যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, কুয়েত, ইতালি, ওমান, সিঙ্গাপুর ও কাতার থেকে এপ্রিলে রেমিট্যান্স এসেছে যথাক্রমে ৩৩ কোটি ৭ লাখ ৪০ হাজার, ২৯ কোটি ৪১ লাখ, ২১ কোটি ৯ লাখ, ১৬ কোটি ২৭ লাখ ৩০ হাজার, ১৫ কোটি ৫ লাখ ৯০ হাজার, ১৪ কোটি ৮৩ লাখ ৪০ হাজার, ১১ কোটি ৮৫ লাখ ৮০ হাজার ও ১০ কোটি ৪২ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার।

  • যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আলোচনা ২৯ জুলাই

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আলোচনা ২৯ জুলাই

    যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর) দপ্তরের সঙ্গে আগামী ২৯ জুলাই বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সভা করবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান। তবে এই সভাটি অনলাইন বা ফিজিক্যালি যে কোনোভাবেই হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান বাণিজ্য সচিব। এর আগে অবশ্য বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ইউএসটিআরের সঙ্গে শুক্রবার অনলাইনে একটি বৈঠক হতে পারে।

    বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর বলেন, ‘শুল্ক ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তরের সঙ্গে সভা শুক্রবার নয়, আগামী ২৯ জুলাই হবে। সভাটি অনলাইন কিংবা ফিজিক্যালি যে কোনোভাবে হতে পারে। এমনটি ইউএসটিআরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। শুক্রবারের মিটিংয়ে বিষয়ে তারা কিছু জানায়নি।’

    ৩৫ শতাংশ পাল্টা শুল্কের তৃতীয় দফার আলোচনার জন্য বারবার যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে মিটিংয়ের সময় চেয়ে অপেক্ষা করছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। বেশ কিছু সভা-সেমিনার যুক্তরাষ্ট্রকে কোন কোন বিষয়ে সুবিধা দেওয়া হবে তা ইতোমধ্যেই ইউএসটিআরকে জানানো হয়েছে।

    এদিকে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েও রেখেছে।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে শেখ বশিরউদ্দীন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ নিয়ে বাংলাদেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে কোনো কাজ করা হবে না। একই সঙ্গে শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের একটি অনলাইন হতে পারে। তার ওপর ভিত্তি করে আমরা আমাদের পরবর্তি কার্যক্রম নির্ধারণ করবো।

  • সামরিক সহযোগিতা জোরদারে ভারত-ইসরায়েলের বৈঠক

    সামরিক সহযোগিতা জোরদারে ভারত-ইসরায়েলের বৈঠক

    গাজায় চলমান মানবাধিকার লঙ্ঘন ও পরিকল্পিত দুর্ভিক্ষ চলার মধ্যেই সামরিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার ঘোষণা দিয়েছে ভারত ও ইসরায়েল। বুধবার (২৩ জুলাই) দিল্লিতে দুই দেশের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের বৈঠকে এই ঘোষণা আসে, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েলকে ঘিরে বাড়তে থাকা নিন্দার প্রেক্ষাপটে এক শক্ত বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    গাজার বিরুদ্ধে ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫৯ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ৮০টিরও বেশি শিশুসহ ১১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে ক্ষুধা ও অপুষ্টিতে। সোমবার (২১ জুলাই) একদিনেই ১৫ জন মারা গেছে অনাহারে। এই পরিস্থিতিকে বিশ্বের বহু দেশ ও মানবাধিকার সংস্থা ‘গণহত্যা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

    এমন এক সময়ে, যখন বিশ্বব্যাপী ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার দাবিতে সোচ্চারতা বাড়ছে, তখন ভারতের প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিং ও ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ডিরেক্টর জেনারেল ও ডেপুটি চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আমির বারামের মধ্যে বুধবার দিল্লিতে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    ভারতের তথ্য দপ্তর (পিআইবি) থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গিতে দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে উভয়পক্ষ একমত হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, ইসরায়েলের ডেপুটি চিফ অব স্টাফের এই সফর ভারত–ইসরায়েল প্রতিরক্ষা সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

    ভারতীয় প্রতিরক্ষা সচিব বৈঠকে বলেন, ‘সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের জিরো টলারেন্স নীতি’ পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে ও ৭ অক্টোবর ২০২৩ এর হামলাকে সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে উল্লেখ করে সকল জিম্মির মুক্তি দাবি করেন। বিবৃতিতে ইসরায়েলের পক্ষ থেকেও ‘ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ে সমর্থন’ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

    ‘কৌশলগত অংশীদারিত্ব’ বাড়াতে বহুমুখী উদ্যোগ

    এই সামরিক বৈঠক ছাড়াও, বুধবারই দিল্লির মেয়র রাজা ইকবাল সিং রাজধানীতে ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত রেউভেন আজারের সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন ও এই কঠিন সময়ে ইসরায়েলের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ভারত ও ইসরায়েলের সম্পর্ক বন্ধুত্ব, সহযোগিতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

    দুই পক্ষের আলোচনায় স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পার্ক ব্যবস্থাপনা এবং কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ইসরায়েলি প্রযুক্তি ব্যবহার নিয়ে আলোচনা হয়। দিল্লি পৌর কমিশনার অশ্বিনী কুমার জানান, ইসরায়েল প্রযুক্তিগতভাবে অগ্রসর দেশ হওয়ায় তাদের অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান আদান-প্রদানে পৌর কর্পোরেশনের কার্যকারিতা আরও উন্নত হবে।

    মেয়রের মন্তব্যের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও প্রতিবাদ

    তবে মেয়র ইকবাল সিংয়ের এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছেন দিল্লিভিত্তিক মানবাধিকার কর্মীরা। সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক খোলা চিঠিতে বলা হয়, এই ‘কঠিন সময়ে’ ইসরায়েলের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা ফিলিস্তিনিদের রক্তের সঙ্গে নির্মম তামাশা।

    চিঠিতে আরও বলা হয়, মেয়রের বক্তব্য সত্যের বিকৃতি এবং নৈতিকভাবে বিশ্বাসঘাতকতা। কোন ‘কঠিন সময়ের’ কথা বলা হচ্ছে? যারা বোমা বর্ষণের, হাসপাতাল ধ্বংসের, শিশুহত্যা ও খাবার-পানির অবরোধের শিকার, তারা ফিলিস্তিনিরা- ইসরায়েল নয়।

    বিনিয়োগ চুক্তি ও অস্ত্র উৎপাদনেও ঘনিষ্ঠতা

    এই কূটনৈতিক ও সামরিক সংলাপের পাশাপাশি সম্প্রতি ইসরায়েল ও ভারত ‘ইনভেস্টমেন্ট প্রোটেকশন এগ্রিমেন্ট (আইপিএ)’ চূড়ান্ত করার ঘোষণা দেয়, যা অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে পারস্পরিক বিনিয়োগের ঝুঁকি মোকাবেলায় কাজ করবে।

    মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক গবেষক ও ব্রিটেনে অবস্থানরত ফিলিস্তিনি একাডেমিক আব্দুল্লাহ মোয়াসওয়েস বলেন, ভারতের ক্ষমতাসীন দল ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করে সেটিকে ভোটারদের কাছে ‘কূটনৈতিক সাফল্য’ হিসেবে তুলে ধরছে, যেখানে ইসরায়েল-প্রীতি একটি জনপ্রিয় আবেগ।

    উল্লেখ্য, ভারত ইসরায়েলি অস্ত্রের সবচেয়ে বড় আমদানিকারক এবং বর্তমানে ইসরায়েলি অস্ত্রের যৌথ উৎপাদনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

    অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার দাবি ও সরকারি অবস্থান

    ভারতের মানবাধিকার কর্মীরা সরকারকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়েছেন, বিশেষ করে যখন জানা গেছে যে দিল্লি কমব্যাট ড্রোন ও এআই-চালিত অস্ত্র ইসরায়েলকে পাঠিয়েছে গাজা যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য।

    ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ভারত সরকার জানিয়েছিল, তারা ‘জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য’ দিয়ে ইসরায়েলে অস্ত্র রপ্তানি ও সরবরাহের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।

  • প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইন্দিরা গান্ধীর রেকর্ড ভাঙলেন মোদী

    প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইন্দিরা গান্ধীর রেকর্ড ভাঙলেন মোদী

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টানা দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নতুন মাইলফলক ছুঁয়েছেন। ২০২৫ সালের ২৫ জুলাই তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদে ৪ হাজার ৭৮ দিন পূর্ণ করেছেন, যা ইন্দিরা গান্ধীর ৪ হাজার ৭৭ দিনের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।

    এর ফলে তিনি ভারতের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বাধিক সময় ধরে একটানা প্রধানমন্ত্রীত্ব পালনকারী নেতা হিসেবে স্থান পেয়েছেন।

    এক্ষেত্রে প্রথম স্থানে রয়েছেন জওহরলাল নেহরু, যিনি ১৯৪৭ সালের স্বাধীনতার পর থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত একটানা প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

    তাছাড়া মোদী ভারতের স্বাধীনতার পরে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় দায়িত্বে থাকা অ-কংগ্রেস প্রধানমন্ত্রী, অ-হিন্দিভাষী রাজ্য থেকে নির্বাচিত দীর্ঘতম মেয়াদে থাকা প্রধানমন্ত্রী ও দুইবার টানা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে নির্বাচিত হওয়া একমাত্র অ-কংগ্রেস নেতা।

    পাশাপাশি একটি দলের নেতৃত্বে টানা তিনটি লোকসভা নির্বাচনে জয়লাভকারী নেহরুর পর দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী।

    গুজরাটের ভাদনগরে জন্ম নেওয়া মোদী শৈশবে তার বাবার সঙ্গে রেলস্টেশনে চা বিক্রি করতেন। পরে তিনি আরএসএস ও বিজেপির রাজনীতির মাধ্যমে জাতীয় মঞ্চে উঠে আসেন। গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দীর্ঘ এক যুগ দায়িত্ব পালনের পর ২০১৪ সালে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হন।

  • জুলাই অভ্যুত্থানে সহযোদ্ধার ভূমিকায় ছিল ছাত্রশিবির: সারজিস আলম

    জুলাই অভ্যুত্থানে সহযোদ্ধার ভূমিকায় ছিল ছাত্রশিবির: সারজিস আলম

    জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির রাজপথে থাকা, পরামর্শ দেওয়া ও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপে সহযোদ্ধার মতো ভূমিকা পালন করেছিল বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। জুলাই অভ্যুত্থানের শুরু থেকে শিবিরের কর্মীদের প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে পেয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, কেউ কোনো দিন কোনো সত্যকে চেপে রাখতে পারে না। সত্য প্রকাশিত হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা।

    আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছাত্রশিবিরের সদস্য সম্মেলনে দেওয়া বক্তৃতায় এসব কথা বলেন সারজিস আলম।

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেন, ‘বিগত ১৬ বছরে খুনি শেখ হাসিনা যাকেই পটেনশিয়াল থ্রেট (সম্ভাব্য হুমকি) মনে করেছিল, তাদেরই যেভাবে পেরেছে, নানা তকমা দিয়ে ব্লেইম গেমে (দোষারোপের খেলা) মেতে উঠেছিল।’ তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি, অনেক নিরপরাধ মানুষকে, অনেক নিরপরাধ আলেম-ওলামাকে শুধুমাত্র তার পটেনশিয়াল থ্রেট মনে করার কারণে জেলখানা থেকে শুরু করে হামলা, মামলা, নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করেছে।’

    সারজিস আলম আরও বলেন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ বাংলাদেশের অনেক সংগঠন ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির বেঁচে থাকাটাই দুঃসাধ্য করে দিয়েছিল খুনি শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, বর্তমান প্রজন্মে বিবেকবোধ সম্পন্ন বলেই এই ফ্যাসিস্ট খুনিকে এই দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে।

    ছাত্রশিবিরের সদস্য সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের আমির শফিকুর রহমান। সম্মেলনের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ছাত্রসংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • জুলাই বিপ্লবে আহতরা চিকিৎসাব্যয়ে বিদেশে প্রয়োজন মাফিক ডলার নিতে পারবেন

    জুলাই বিপ্লবে আহতরা চিকিৎসাব্যয়ে বিদেশে প্রয়োজন মাফিক ডলার নিতে পারবেন

    বিদেশে চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে সর্বোচ্চ ১০ হাজার ডলার নিয়ে যাওয়ার সীমা রয়েছে। কিন্তু জুলাই, ২০২৪ বিপ্লবে আহতদের জন্য এই সীমা শিথিল করা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ফলে আহতের চিকিৎসার জন্য যে ডলার প্রয়োজন হবে সেই পরিমাণ ডলার তারা নিয়ে যেতে পারবেন।

    মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

    সার্কুলারে বলা হয়েছে, বিদেশে চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে সর্বোচ্চ ১০ হাজার ডলার সঙ্গে নেওয়ার সীমা রয়েছে। কিন্তু জুলাই, ২০২৪ সালের বিপ্লবে আহতদের চিকিৎসায় এই সীমা শিথিল করা হয়েছে। ফলে জুলাই বিপ্লবে আহতরা বিদেশে ১০ হাজার ডলারের বেশি ব্যাংকিং চ্যানেল, কার্ডে এবং নগদ ডলারে চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে পারবেন।

    সংশ্লিষ্টরা জানান, জুলাই বিপ্লবে অনেকে আহত হয়েছেন।

    তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিয়ে যেতে হবে। তাদের চিকিৎসা ব্যয় সাধারণের চেয়ে বেশি লাগবে। আহতের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সার্কুলার জারি করেছে। যাতে বিদেশের হাসপাতালের ব্যয় মেটাতে কোনো ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে না হয়।

    এই সার্কুলারের ফলে আহতরা হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যয়ের চাহিদা অনুযায়ী ডলার বহন করতে পারবেন এবং ব্যয় করতে পারবেন।

  • থার্টিফার্স্ট নাইটে শব্দদূষণের প্রতিকার চেয়ে ৯৯৯ এ হাজারের বেশি কল

    থার্টিফার্স্ট নাইটে শব্দদূষণের প্রতিকার চেয়ে ৯৯৯ এ হাজারের বেশি কল

    থার্টিফার্স্ট নাইটে উচ্চশব্দে গান-বাজনা, হৈ-হুল্লোড় ও আতশবাজির উচ্চশব্দে সারাদেশে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে শব্দদূষণের প্রতিকার চেয়ে হাজারের বেশি কল আসে।

    বুধবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে ৯৯৯ এর পুলিশ পরিদর্শক (গণমাধ্যম ও জনসংযোগ) আনোয়ার সাত্তার এসব তথ্য জানান।

    তিনি জানান, ৩১ ডিসেম্বর খিষ্টীয় বর্ষবরণের প্রাক্কালে উচ্চশব্দে গান-বাজনা, হৈ-হুল্লোড় ও আতশবাজি ইত্যাদি শব্দদূষণ প্রতিকারে ৯৯৯ নম্বরে মোট ১ হাজার ১৮৫টি কল করেন ভুক্তভোগীরা।

    এর মধ্যে ঢাকা মহানগর থেকে ৩৮৭টি কল এবং দেশের অন্যান্য স্থান থেকে ৭৯৮টি কল গৃহীত হয়।

    এসব ক্ষেত্রে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশকে বিষয়টি জানিয়ে প্রতিকারের চেষ্টা করা হয়।

    অপরদিকে, রাজধানীর ধানমন্ডির ল্যাবএইড হাসপাতালের পাশে স্বপ্ন শপিং-মলের সামনে ফানুস থেকে আগুন ধরে যায়।

    তবে ৯৯৯ থেকে সংবাদ পেয়ে মোহাম্মদপুর ফায়ার স্টেশন থেকে একটি অগ্নি-নির্বাপক দল রওনা দিলেও তারা পৌঁছার আগেই স্থানীয়রা আগুন নিভিয়ে ফেলে। এ ঘটনায় কোনো ক্ষয়ক্ষতির সংবাদ পাওয়া যায়নি বলেও জানান ৯৯৯ এর পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার।