০৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বের জনসংখ্যা ৮০৯ কোটি

২০২৫ সালের ১ জানুয়ারিতে বিশ্বের জনসংখ্যা ৮০৯ কোটিতে পৌছাবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আদমশুমারি ব্যুরো।

তারা জানিয়েছে, গত বছর বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ ছিল ভারত। সেখানে জনসংখ্যা ১৪১ কোটি। এরপরের অবস্থানে রয়েছে ভারতের প্রতিবেশী দেশ চীন।

২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৪ সালে বিশ্বজুড়ে জন্মহার ছিল কম। ইউএস সেন্সাস ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিশ্বে জন্মেছিল ৭ কোটি ৫০ লাখেরও বেশি শিশু।

বর্তমানে জন্মহার এবং মৃত্যুহারের যে চিত্র, তাতে ২০২৫ সালের প্রতি সেকেন্ড গড়ে ৪ দশমিক ২ জন শিশু জন্ম নেবে এবং ২ জনের মৃত্যু ঘটবে বলে ধারণা করছে ইউএস সেন্সাস ব্যুরো। বিবৃতিতে সে তথ্য উল্লেখও করা হয়েছে।

তবে এই গড় হিসাবে তারতম্যও হতে পারে। কারণ জনসংখ্যা বিষয়ক বিভিন্ন বৈশ্বিক জরিপ বলছে বছরের ১২ মাসের প্রতিটিতে বৈশ্বিক জন্মহার ও মৃত্যুহারের চিত্র বদলে যায়। এই ব্যাপারটিকে হিসাবে ধরা হলে প্রতি মাসের জন্ম ও মৃত্যুহারের রেকর্ড রাখা জরুরি।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে বিশ্বজুড়ে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৪ দশমিক ২টি শিশুর জন্ম এবং ২টি শিশুর মৃত্যু হতে পারে।

পঠিত

খেলাপি ঋণের বড় উত্থান, ছাড়াল ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা

বিশ্বের জনসংখ্যা ৮০৯ কোটি

আপডেট : ০৩:২১:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জানুয়ারী ২০২৫

২০২৫ সালের ১ জানুয়ারিতে বিশ্বের জনসংখ্যা ৮০৯ কোটিতে পৌছাবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আদমশুমারি ব্যুরো।

তারা জানিয়েছে, গত বছর বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ ছিল ভারত। সেখানে জনসংখ্যা ১৪১ কোটি। এরপরের অবস্থানে রয়েছে ভারতের প্রতিবেশী দেশ চীন।

২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৪ সালে বিশ্বজুড়ে জন্মহার ছিল কম। ইউএস সেন্সাস ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিশ্বে জন্মেছিল ৭ কোটি ৫০ লাখেরও বেশি শিশু।

বর্তমানে জন্মহার এবং মৃত্যুহারের যে চিত্র, তাতে ২০২৫ সালের প্রতি সেকেন্ড গড়ে ৪ দশমিক ২ জন শিশু জন্ম নেবে এবং ২ জনের মৃত্যু ঘটবে বলে ধারণা করছে ইউএস সেন্সাস ব্যুরো। বিবৃতিতে সে তথ্য উল্লেখও করা হয়েছে।

তবে এই গড় হিসাবে তারতম্যও হতে পারে। কারণ জনসংখ্যা বিষয়ক বিভিন্ন বৈশ্বিক জরিপ বলছে বছরের ১২ মাসের প্রতিটিতে বৈশ্বিক জন্মহার ও মৃত্যুহারের চিত্র বদলে যায়। এই ব্যাপারটিকে হিসাবে ধরা হলে প্রতি মাসের জন্ম ও মৃত্যুহারের রেকর্ড রাখা জরুরি।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে বিশ্বজুড়ে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৪ দশমিক ২টি শিশুর জন্ম এবং ২টি শিশুর মৃত্যু হতে পারে।