Month: October 2024

  • শেরপুরের বন্যা-ভুক্তভোগী মানুষের পাশে দাঁড়ান

    শেরপুরের বন্যা-ভুক্তভোগী মানুষের পাশে দাঁড়ান

    গত দুই মাসে একের পর এক বন্যার কবলে পড়ল দেশ। সিলেটের একাংশ ও পূর্বাঞ্চলের বন্যার ক্ষত এখনো শুকায়নি। এরপর দেখা গেল উত্তরবঙ্গে রংপুর–কুড়িগ্রামের বন্যা। আর এখন ভয়াবহ বন্যায় আক্রান্ত হলো ময়মনসিংহ অঞ্চল। সেখানে টানা ভারী বৃষ্টি ও ভারতের পানির ঢলে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলার অনেক এলাকা। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে কয়েক শ গ্রাম। মারা গেছেন কয়েকজন। মানুষের দুর্ভোগের সীমা নেই। দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারি–বেসরকারিভাবে তাঁদের পাশে দাঁড়ানো এখন জরুরি।

    প্রথম আলোর প্রতিবেদন জানাচ্ছে, ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে গত বৃহস্পতিবার ভোগাই, চেল্লাখালী, নেতাইসহ অন্যান্য নদ–নদীর পানি বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে নদ–নদীগুলোর সঙ্গে বাঁধ ভেঙে পানি উপচে পড়ে। ফলে ময়মনসিংহ ও শেরপুরের বিভিন্ন উপজেলার গ্রামের পর গ্রাম প্লাবিত হয়। বিশেষ করে আকস্মিক ঢলের কারণে অবর্ণনীয় পরিস্থিতি তৈরি হয়। এমন বন্যার কবলে পড়তে হবে, তা মানুষের কল্পনার বাইরে ছিল। প্রস্তুতি না থাকায় এখন চরম দুর্ভোগে পড়েছেন তাঁরা। দুর্গম ও পাহাড়ের কাছাকাছি এলাকায় থাকা সমতলের জাতিগোষ্ঠীগুলোর অবস্থাও শোচনীয়।

    শেরপুরের নালিতাবাড়ী নয়া‌বিল ইউনিয়নের বয়স্ক বাসিন্দারা বলছেন, নদীতে এত পানি তাঁরা আগে কখনো দেখেননি। আটাশির বন্যার চেয়েও ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এবার। বন্যা ও জলাবদ্ধতার কারণে দুর্গত এলাকাগুলোতে হাজার হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। পরিচিতদের বাসাবাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। পা‌নিব‌ন্দী মানুষ‌কে উদ্ধার ও ত্রাণকাজ প‌রিচালনায় ইউনিয়ন পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হ‌য়ে‌ছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভার তরফ থেকে শুকনা খাবারের প্যাকেট ও খাওয়ার পানি দেওয়া হচ্ছে। তবে তা পর্যাপ্ত নয়। বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও ত্রাণসহায়তা নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

    আশা করি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় প্রশাসন সম্মিলিতভাবে বন্যা ও বন্যা–পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় সচেষ্ট থাকবে।

  • ৪৭তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি যথাসময়েই, পদ নির্ধারণ শিগগিরই

    ৪৭তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি যথাসময়েই, পদ নির্ধারণ শিগগিরই

    সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) বলছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে তাদের কথা হচ্ছে। ৪৭তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি যথাসময়েই হবে। তবে পদের সংখ্যা কত, তা পিএসসি জানতে পারেনি। তবে পদ শিগগিরই নির্ধারিত হবে বলে জানিয়েছে পিএসসির ক্যাডার শাখা। সেখান থেকেই এসব তথ্য জানা গেছে।

    জানতে চাইলে পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) আনন্দ কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিয়মিত ৪৭তম বিসিএস নিয়ে কথা হচ্ছে। তারা শিগগিরই পদ পাঠাবে বলে জানিয়েছে।’

    ৪৭তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি কখন প্রকাশিত হবে জানতে চাইলে আনন্দ কুমার বিশ্বাস প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের যে সময় আছে মানে যে সময়ে আমরা নিয়মিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করি, সেই সময়েই ৪৭তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে।’

    ৪৭তম বিসিএস নিয়ে মহাপরিকল্পনা পিএসসির

    সবকিছু ঠিক থাকলে এ বছরের শেষ দিকে নতুন যে বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে, সেটি হবে ৪৭তম বিসিএস। এ বিসিএস ঘিরে কর্মযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বিজ্ঞপ্তি থেকে শুরু করে কীভাবে ৪৭তম বিসিএস এগিয়ে নেওয়া যায়, তা নিয়ে কর্মপরিকল্পনাও ঠিক করা শুরু করেছে পিএসসি।

    পিএসসি সূত্র জানায়, ৪৭তম বিসিএসের প্রস্তুতি পুরোদমে শুরু হয়ে গেছে। পিএসসি চেয়ারম্যান পিএসসির এক সদস্যকে ৪৭তম বিসিএসের সার্বিক বিষয় দেখার দায়িত্ব দিয়ে অফিস আদেশ জারি করেছেন। এ বিসিএসের সার্বিক দায়িত্বে থাকবেন অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন।

    পিএসসির এক দায়িত্বপ্রাপ্ত উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেনকে ৪৭তম বিসিএসের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নিয়ম অনুসারে প্রতিটি বিসিএসের সার্বিক বিষয় একজন সদস্য সমন্বয় করেন। এবার অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেনকে আগেভাগেই ৪৭তম বিসিএসের দায়িত্ব দেওয়া হলো, যাতে তিনি সবকিছু গুছিয়ে করতে পারেন। ওই কর্মকর্তা বলেন, পিএসসি চাইছে ৪৭তম বিসিএস হবে এমন একটি বিসিএস, যার সবকিছু আগে থেকেই ক্যালেন্ডার মেনে করা হবে। অর্থাৎ বিজ্ঞপ্তি কখন হবে, প্রিলিমিনারি পরীক্ষা কখন হবে, লিখিত বা ভাইভা কোন সময় নেওয়া হবে—সবকিছুই নিয়ম মেনে নির্ধারিত থাকবে। সময় কমিয়ে আনার যে মহাপরিকল্পনা পিএসসির, সেটি শতভাগ প্রয়োগ হবে ৪৭তম বিসিএসে। এ জন্য সদস্যকে দায়িত্ব দেওয়ার মাধ্যমে তাঁকে আগে থেকেই পরিকল্পনা ঠিক করার তাগিদও দেওয়া হয়েছে।

  • ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে চাকরি, পদ ৩০

    ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে চাকরি, পদ ৩০

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান এবং দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারী লিমিটেড (ইআরএল) জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক-কর্মচারী পর্যায়ে ৩০ জন শিক্ষাধীন নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

    আবেদনের যোগ্যতা: এসএসসি (বিজ্ঞান) বা সমমান এবং এইচএসসি (বিজ্ঞান) বা সমমান উভয় পরীক্ষায় পৃথকভাবে ন্যূনতম জিপিএ ৫–এর স্কেলে ৩ থাকতে হবে।
    বয়স: ১৮ থেকে ২৫ বছর।

    প্রশিক্ষণের মেয়াদ: শিক্ষাধীন হিসেবে নির্বাচিত প্রার্থীদের দুই বছর মেয়াদি বাস্তব কাজে পালায় বা সাধারণ পালায় প্রশিক্ষণে নিয়োজিত থাকবেন (প্রশিক্ষণের মেয়াদ প্রয়োজনবোধে ৬ মাস বৃদ্ধি করা যেতে পারে)।

    বেতন–ভাতা: প্রশিক্ষণ ভাতা হিসেবে প্রথম বছর ১৬,৫০০ টাকা; দ্বিতীয় বছর ১৭,৩০০ টাকা) [মাসিক সাকল্যে] প্রাপ্য হবেন। সন্তোষজনকভাবে শিক্ষাধীন হিসেবে বাস্তব অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাসম্পন্ন প্রার্থীদের যাবতীয় ভেরিফিকেশন ও প্রচলিত নিয়োগ নীতিমালা অনুসরণে ভবিষ্যতে কোম্পানিতে সংশ্লিষ্ট পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। নিয়োগের ক্ষেত্রে বেতন স্কেল হবে ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা।

    আবেদন যেভাবে

    আগ্রহী প্রার্থীদের এই ওয়েবসাইটে ফরম পূরণের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এই লিংকে জানা যাবে। অনলাইনে আবেদন করতে কোনো সমস্যা হলে টেলিটক নম্বর থেকে ১২১ নম্বরে কল অথবা এ ই-মেইলে যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া টেলিটকের জবপোর্টালের ফেসবুক পেজে মেসেজের মাধ্যমেও যোগাযোগ করা যাবে। মেইল/মেসেজের সাবজেক্টে প্রতিষ্ঠান ও পদের নাম এবং ইউজার আইডি ও যোগাযোগের নম্বর অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে।

    আবেদন ফি

    অনলাইনে ফরম পূরণের অনধিক ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পরীক্ষার ফি বাবদ ২২৩ টাকা টেলিটক প্রি–পেইড মোবাইল নম্বর থেকে এসএমএসের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।

    আবেদনের শেষ সময়

    ৫ নভেম্বর ২০২৪, সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।

  • সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি কর্মসংস্থান, কমেছে বেকারত্ব

    সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি কর্মসংস্থান, কমেছে বেকারত্ব

    সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যাশার চেয়েও বেশি কর্মসংস্থান হয়েছে। গত মাসে দেশটিতে ২ লাখ ৫৪ হাজার নতুন নিয়োগ হয়েছে। আগের মাস আগস্টে নিয়োগ হয়েছিল ১ লাখ ৫৯ হাজার।

    প্রত্যাশার চেয়ে বেশি কর্মসংস্থান হওয়ায় সেপ্টেম্বরে টানা দ্বিতীয় মাসের মতো বেকারত্ব কমেছে। বেকারত্বের হার গত আগস্ট মাসে ছিল ৪ দশমিক ২ শতাংশ, সেপ্টেম্বরে তা ৪ দশমিক ১ শতাংশে নেমে এসেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন শ্রম বিভাগ। খবর বিবিসি।

    সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে মাসে মূল্যস্ফীতি লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি নেমে এলেও বেকারত্বের হার নিয়ে একধরনের আশঙ্কা ছিল। সেপ্টেম্বর মাসের এই পরিসংখ্যানের বদৌলতে সেই শঙ্কাও দূর হয়েছে। বোঝা যাচ্ছে, মার্কিন অর্থনীতি বেশ গতিশীল।

    গত মাসেই যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ নীতি সুদহার হ্রাস করেছে। এক ধাপেই ৫০ ভিত্তি পয়েন্ট হ্রাস করা হয় তখন। মূল্যস্ফীতি ২ শতাংশের ঘরে নেমে এসেছিল। শুধু শঙ্কা ছিল কর্মসংস্থান নিয়ে। সেপ্টেম্বরে নীতি সুদ কমবে—এই খবর বাজারে আগে থেকেই ছড়িয়ে যাওয়ায় গত মাসে কর্মসংস্থানে আরও গতি এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    পূর্বাভাস অনুসারে, সেপ্টেম্বর মাসে নতুন নিয়োগ হওয়ার কথা ছিল ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষের। কিন্তু বাস্তবে হয়েছে তার চেয়ে প্রায় এক লাখ বেশি। সর্বশেষ তিন মাসে গড়ে কর্মসংস্থান বেড়েছে ১ লাখ ৮৬ হাজার; এর আগে আগস্ট পর্যন্ত তিন মাসের গড় ছিল ১ লাখ ৪০ হাজার।

    সেপ্টেম্বরের নতুন নিয়োগ নির্দিষ্ট খাতনির্ভর ছিল না, বরং বিভিন্ন খাতে নিয়োগ বেড়েছে। এ সময় রেস্তোরাঁ ও বারে নিয়োগ হয়েছে ৬৯ হাজার; স্বাস্থ্য পরিষেবা, সরকারি সংস্থা, সামাজিক সহায়তা খাত ও নির্মাণশিল্পে যথাক্রমে ৪৫ হাজার, ৩১ হাজার, ২৭ হাজার ও ২৫ হাজার নতুন কর্মী নিয়োগ হয়েছে। এ ছাড়া পেশাদার ও ব্যবসায়িক পরিষেবা খাতেও নিয়োগ বেড়েছে।

    এদিকে নভেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে অর্থনীতি বেশ স্থিতিশীল অবস্থায় আছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কর্মসংস্থানের এই পরিসংখ্যান সম্পর্কে বলেছেন, সেপ্টেম্বর মাসের এই পরিসংখ্যানসহ এই শাসনামলে আমরা ১ কোটি ৬০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছি। বেকারত্বের হার কম; মজুরি বৃদ্ধির হারও মূল্যস্ফীতির চেয়ে বেশি।

    নভেম্বরের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলা হ্যারিস এসব কারণে এগিয়ে থাকবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

  • পাকিস্তানের বিপক্ষে কেন বড় ব্যবধানে জিততেই হবে ভারতের মেয়েদের

    পাকিস্তানের বিপক্ষে কেন বড় ব্যবধানে জিততেই হবে ভারতের মেয়েদের

    শক্তিশালী শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩১ রানের জয় দিয়ে পাকিস্তানের মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুরুটা হয়েছে দারুণ। পাকিস্তানের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত এবারের বিশ্বকাপ শুরু করেছে নিউজিল্যান্ডের কাছে ৫৮ রানের হার দিয়ে।

    বিপরীত এই শুরুর পর আজ দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ভারত ও পাকিস্তান। পাকিস্তানের জন্য ম্যাচটি নকআউটের দিকে আরেকটু এগিয়ে যাওয়ার আর ভারতের কাছে এটা নকআউটের লড়াইয়ে টিকে থাকার।

    পাকিস্তানের বিপক্ষে আজকের ম্যাচে ভারতকে শুধু জিতলেই চলবে না, জিততে হবে বড় ব্যবধানে। কারণ, গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে পড়ার শঙ্কা দূর করতে হলে যে রান রেট অনেকটাই বাড়িয়ে নিতে হবে ২০২০ টুর্নামেন্টের ফাইনালিস্টদের।

    গ্রুপের ৫ দলের মধ্যে চারটিই একটি করে ম্যাচ খেলে ফেলেছে, শ্রীলঙ্কা খেলেছে দুটি ম্যাচ। হেরেছে দুটিতেই। একটি করে জয় পেয়েছে পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। তবে রান রেটে সবার চেয়ে এগিয়ে থাকায় শীর্ষে আছে নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া আছে দ্বিতীয় স্থানে, পাকিস্তান তিনে।

    ভারত একটি ম্যাচ খেলার পরও দুই ম্যাচ খেলা শ্রীলঙ্কার চেয়েও রান রেটে পিছিয়ে থেকে পয়েন্ট তালিকায় আছে সবার নিচে। নিউজিল্যান্ডের কাছে ৫৮ রানের হারে ভারতের নেট রান রেট দাঁড়িয়েছে -২ দশমিক ৯০। এই রান রেট আজ বাড়িয়ে নিতে না পারলে হয়তো বিপদ অপেক্ষা করছে ভারতের জন্য। কারণ, গ্রুপের শেষ ম্যাচটি যে তাদের খেলতে হবে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। ভারতের অন্য ম্যাচটির প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা, যারা যেকোনো দিন যেকোনো দলকে বিস্ময় উপহার দিতে পারে। এশিয়া কাপ ফাইনালে এই শ্রীলঙ্কার কাছেই হেরেছিল ভারত।

    ভারত-পাকিস্তানের মেয়েদের টি-টোয়েন্টির মুখোমুখি ইতিহাস অবশ্য আজকের লড়াইয়ে ভারতকেই এগিয়ে রাখছে। এর আগে দল দুটি ১৫ বার মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে ১২টিতেই জিতেছে ভারত। পাকিস্তানের ৩টি জয়ের দুটি আবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। তবে বিশ্বকাপে ৬ বারের মুখোমুখিতে ৪ বার জিতেছে ভারত। আর বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সর্বশেষ জয়টিও সেই ২০১৬ সালে।

  • ছুটির দিনে নদীর বুকে বৃষ্টি উপভোগ করতে চান?

    ছুটির দিনে নদীর বুকে বৃষ্টি উপভোগ করতে চান?

    নদীর ওপর শুয়ে বৃষ্টি উপভোগ করার জন্য রাজধানীবাসীকে খুব বেশি দূরে যেতে হবে না। বছিলা থেকে ঘণ্টাখানেক পথ পেরোলেই ধলেশ্বরীর বুকেই গড়ে উঠেছে চোখ ও মনের বিশ্রামের জায়গা ‘জল কাচারি-ধলেশ্বরী’। তাদের রয়েছে দুই ধরনের প্যাকেজ। সারা দিনের জন্য ঘুরতে চাইলে জনপ্রতি পড়বে ১ হাজার ৫০০ টাকা। সকাল আটটা থেকে সূর্যাস্ত সময়ে সকালের নাশতা, দুপুরের খাবার ও বিকেলের হালকা নাশতা থাকবে। সন্ধ্যা থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত থাকতে চাইলে গুনতে হবে ১ হাজার ৮০০ টাকা। সেখানে রয়েছে সন্ধ্যার নাশতা, রাতের খাবার ও পরদিন সকালের নাশতা। জল কাচারিতে যেতে হলে আগে থেকে ফোন করে যেতে হবে।

  • বিক্ষোভকারীদের হাতে পানির বোতল তুলে দিচ্ছিলেন এই ছাত্র, কয়েক মিনিট পরই তিনি মারা যান

    বিক্ষোভকারীদের হাতে পানির বোতল তুলে দিচ্ছিলেন এই ছাত্র, কয়েক মিনিট পরই তিনি মারা যান

    কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত ফ্রিল্যান্সার মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধকে নিয়ে গতকাল সোমবার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন। ‘বিক্ষোভকারীদের হাতে পানির বোতল তুলে দিচ্ছিলেন এই ছাত্র, কয়েক মিনিট পরই তিনি মারা যান’ শিরোনামের এই প্রতিবেদনে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি) ও ফ্রিল্যান্সার মুগ্ধর পরিবারের স্বজনদের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। মুগ্ধকে নিয়ে সিএনএনের প্রতিবেদনটি এখানে তুলে ধরা হলো।

    টি–শার্টের হাতা ব্যবহার করে জ্বালাপোড়া করা চোখ থেকে কাঁদানে গ্যাস মুছতে মুছতে ২৫ বছর বয়সী তরুণ মুগ্ধ ভিড়ের মধ্যে চিৎকার করছেন, বিক্ষোভ করা তরুণদের হাতে পানির বোতল তুলে দিচ্ছেন। ১৫ মিনিট পর, বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থী আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন। রাজধানী ঢাকায় দুপুরের উত্তাপে বিশ্রাম নেওয়ার সময় একটি বুলেট তাঁর কপালে বিদ্ধ হয়েছিল।

    মুগ্ধর পুরো নাম মীর মাহফুজুর রহমান। বন্ধু ও বিক্ষোভকারীরা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন। ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে যায়। তাঁর যমজ ভাই স্নিগ্ধ—মীর মাহবুবুর রহমান—সিএনএনকে এসব জানিয়েছেন। তিনি জানান, ‘আমি শুধু তাঁকে জড়িয়ে ধরেছিলাম, আর আমি কেঁদেছিলাম।’

    ১৮ জুলাই মৃত্যুর আগে মুগ্ধর পানি দেওয়ার ভিডিওটি সারা বাংলাদেশের লাখ লাখ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীর মনে আঘাত করে। নিহতদের জন্য ন্যায়বিচার চাইতে আরও বেশি মানুষ রাস্তায় নামতে উৎসাহিত হয়।

    আন্দোলনের পরে এখন এক শান্ত পরিবেশ বিরাজ করছে। অনেক পরিবার এখন তাদের প্রিয়জনের মৃত্যুর জন্য জবাবদিহি চাইছে। যমজ মুগ্ধ ও স্নিগ্ধ জন্ম থেকেই একসঙ্গে ছিলেন—খাওয়া, ঘুম আর একসঙ্গে পড়াশোনা, পোশাক ভাগাভাগি করার পাশাপাশি সব গোপনীয়তাও ভাগাভাগি করতেন তাঁরা।

    স্নিগ্ধ বলেন, ‘সে শুধু আমার ভাই ছিল না, আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু ছিল। আমার শরীরের একটি অঙ্গ ছিল। আমরা একসঙ্গে সবকিছু করতাম।’ মুগ্ধ গণিতে স্নাতক ছিলেন। এরপর ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতকোত্তর (এমবিএ) শ্রেণিতে পড়ছিলেন, আর তাঁর যমজ স্নিগ্ধ আইনে স্নাতক। এই দুই যমজ ইতালিতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। মোটরবাইকে ইউরোপ ঘুরে বেড়ানোর ইচ্ছা ছিল তাঁদের। ভ্রমণের জন্য টাকা জমাতেন তাঁরা। দুই ভাই অনলাইন ফ্রিল্যান্সার হাব ফাইভআরে সোশ্যাল মিডিয়া বিপণনের কাজ করতেন।

  • ২ নভেম্বর সরাসরি ঢাকা-আদ্দিস আবাবা পথে উড়ান চালু করছে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনস

    ২ নভেম্বর সরাসরি ঢাকা-আদ্দিস আবাবা পথে উড়ান চালু করছে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনস

    আগামী ২ নভেম্বর ঢাকা থেকে ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায় উড়ান শুরু করতে যাচ্ছে আফ্রিকার শীর্ষস্থানীয় বিমান পরিবহন সংস্থা ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনস। প্রাথমিকভাবে এই পথে সপ্তাহে পাঁচটি উড়ান পরিচালনা করবে তারা।

    বাংলাদেশে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনসের বিক্রয় প্রতিনিধি রিদম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোহাগ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বহু প্রতীক্ষার পর অবশেষে ২ নভেম্বর এই পথে সরাসরি উড়ান চালুর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে পাঁচটি উড়ান পরিচালনা করা হবে।

    বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ দিয়ে এই উড়ান পরিচালিত হবে। ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনস বর্তমানে ঢাকা থেকে অফলাইনে তিনটি সাপ্তাহিক নন-শিডিউল কার্গো ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ভবিষ্যতে সরাসরি কার্গো ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

    এয়ারলাইনসটির গ্রুপ সিইও মেসফিন তাসেউ বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরা ঢাকা থেকে আদ্দিস আবাবা হয়ে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার সব বড় শহরে যেতে পারবেন। তিনি বলেন, ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনস বাংলাদেশ থেকে যাত্রী নিয়ে ইথিওপিয়ায় ট্রানজিট দিয়ে আফ্রিকার কায়রো (মিসর), হারারে ও বুলাওয়ে (জিম্বাবুয়ে), দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ ও কেপটাউন, কেনিয়ার নাইরোবি, ইতালির মিলান ও রোম, যুক্তরাজ্যের লন্ডন ও ম্যানচেস্টার, সুইজারল্যান্ডের জুরিখ ও জেনেভা, সুইডেনের স্টকহোম, বেলজিয়ামের ব্রাসেলস, গ্রিসের এথেন্স, রাশিয়ার মস্কো, ফ্রান্সের প্যারিস ও জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে নিয়ে যাবে।

    এ ছাড়া কানাডার টরন্টো, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি, নিউইয়র্ক ও শিকাগো, চীনের গুয়াঞ্জু, বাহরাইন, কুয়েত, দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল, জাপানের টোকিও ও হংকংয়েও উড়ান পরিচালনা করছে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনস।

  • খন্দকের যুদ্ধ ইতিহাসে অমর

    খন্দকের যুদ্ধ ইতিহাসে অমর

    খন্দকের যুদ্ধ ইসলামের ইতিহাসে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি যুদ্ধ। ৫ হিজরির শাওয়াল মাসে খন্দকের যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধে মক্কার কুরাইশ, মদিনার ইহুদি, বেদুইন ও পৌত্তলিকেরা মিলিত হয়ে মুসলমানদের বিরুদ্ধে নামে। খন্দক মানে পরিখা বা গর্ত। এ যুদ্ধে অনেক পরিখা খনন করা হয়েছিল বলে এটি খন্দকের যুদ্ধ নামে পরিচিত। এ যুদ্ধ আহজাব নামেও পরিচিত। আহজাব অর্থ সম্মিলিত বাহিনী।

    নবীজি (সা.) মদিনায় আসার আগে বনু নাজির ও বনু কোরায়জা নামে সেখানে দুটি বড় ইহুদি গোষ্ঠী বাস করত। তাদের প্ররোচনায় কুরাইশ ও অন্য গোত্রগুলো মদিনার মুসলমানদের সঙ্গে যুদ্ধের প্রস্তুতি নেয়। খন্দকের যুদ্ধ ছিল মদিনার ওপরে গোটা আরব গোত্রগুলোর এক সর্বাত্মক হামলা। এ যুদ্ধে শত্রুসৈন্য ছিল ১০ হাজার। এই সংখ্যা ছিল মদিনার মোট জনসংখ্যার চেয়ে বেশি। মুসলিম বাহিনীতে সৈন্য ছিল মাত্র ৩ হাজার। তবে তাদের অভিনব যুদ্ধকৌশল ছিল শত্রুদের অজানা। সে কৌশলের মুখে তারা হতাশ ও পর্যুদস্ত হয়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।

    যুদ্ধে আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে মক্কা থেকে ১০ হাজার লোকের সম্মিলিত বাহিনী মদিনায় যাত্রা করে। মক্কার এ খবর পেয়ে নবীজি (সা.) সাহাবিদের নিয়ে পরামর্শ করলেন। মদিনার তিন দিকে খেজুরগাছের বাগান। বাকি দিকটিতে পরিখা খননের পরামর্শ দেন হজরত সালমান ফারসি (রা.)। পরিখা খনন করা ছিল পারস্যদের যুদ্ধকৌশল। কোনো ঘোড়া লাফ দিয়ে যতটা দূরত্ব পেরিয়ে যেতে পারে, গর্ত খনন করা হয় তার চেয়ে প্রশস্ত করে।

    পেছনে সালা পাহাড় এবং সামনে ওহুদ পাহাড়কে রেখে শুরু হলো পরিখা খনন। একেক দলে দশজন করে সদস্য। প্রতিটি দল দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও গভীরতায় ১০ হাত করে পরিখা খনন করতে শুরু করল। পরিখা খনন করা শেষ হলো ছয় দিনে, সম্মিলিত বাহিনী মদিনায় আসার আগেই।

    ১০ হাজার সেনার বাহিনী ওহুদ পাহাড়ের পাশে তাঁবু ফেলল। নবীজি (সা.) তির হাজার সাহাবি নিয়ে হাজির হলেন। দুই দল দুই দিকে, মাঝখানে খন্দক বা পরিখা। কুরাইশ বাহিনী খন্দক দেখে হতভম্ব। তারা প্রায় এক মাস মদিনা অবরোধ করে বসে রইল। অবরোধ ছিল কঠিন। মুসলমানদের অনেক বেলাই না খেয়ে থাকতে হয়। কিন্তু অবরোধকারীরা কিছুতেই পরিখা পার হতে পারল না।

    হজরত মুহাম্মদ (সা.) পরিখার বিভিন্ন স্থানে সৈন্য মোতায়েন করলেন। কাফেররা বাইরে থেকে পাথর ও তির ছুড়তে শুরু করলে তার প্রত্যুত্তর দেওয়া হলো। এভাবে বিক্ষিপ্তভাবে হামলা চলতে লাগল।

    অবরোধ যত দীর্ঘ হলো, শত্রুদের উৎসাহ তত কমতে লাগল। ১০ হাজার লোকের খাওয়া–দাওয়ার ব্যবস্থা করা ছিল কঠিন। তার ওপর ছিল প্রচণ্ড শীত। একদিন প্রচণ্ড ঝড় কাফেরদের তাঁবুর ছাউনি উড়ে গেল। সৈন্যসামন্ত ছিন্নভিন্ন হয়ে গেল। কাফেররা এ পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারল না। ইহুদিরা আগেই সরে পড়েছিল। কুরাইশদেরও ফিরে যাওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় রইল না।

    আহজাব যুদ্ধে আটজন মুসলিম শহীদ হন। শত্রুপক্ষে মারা যায় চারজন। অবরোধের সময়কাল নিয়ে মতভেদ আছে। কেউ বলেন ২৪ দিন, কেউ ১৫।

    সুরা আহজাবে ৯ থেকে ২৭ পর্যন্ত আয়াতে খন্দকের যুদ্ধ সম্পর্কে আল্লাহ গুরুত্বপূর্ণ আলোকপাত করেছেন।

  • ১ কোটি ২০ লাখ ডলারের বিনিয়োগ পেয়েছে পাঠাও

    ১ কোটি ২০ লাখ ডলারের বিনিয়োগ পেয়েছে পাঠাও

    ভোক্তা প্রযুক্তি কোম্পানি পাঠাও ১২ মিলিয়ন ডলার বা ১ কোটি ২০ লাখ ডলারের বিনিয়োগ পেয়েছে। এই বিনিয়োগের মধ্য দিয়ে পাঠাও মোট ৫০ মিলিয়ন বা ৫ কোটি ডলারের বেশি তহবিল পেয়েছে। বাংলাদেশের প্রি-সিরিজ বি স্টার্টআপগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ বিনিয়োগ পেয়েছে তারা।

    মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক ভেঞ্চারসুকের নেতৃত্বে এই বিনিয়োগ হচ্ছে। এর আগে তারা মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়ায় ‘প্ল্যাটফর্ম বিনিয়োগ’ করেছে। এ ছাড়া অ্যাঙ্কারলেস বাংলাদেশ, ওসাইরিস গ্রুপ, সাউথ এশিয়া টেক, ওপেনস্পেস ভেঞ্চারসসহ অন্যান্য বিনিয়োগকারী এতে অংশ নিয়েছে। খবর বিজ্ঞপ্তি।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দুই বছর ধরে পাঠাও লাভজনক প্রতিষ্ঠান। পাঠাও এখন ফিনটেক পরিষেবা সংযুক্তির মাধ্যমে গ্রাহকদের আরও উন্নত সেবা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।

    পাঠাওয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী ফাহিম আহমেদ বলেন, পাঠাও শুধু ব্র্যান্ড নয়, এটি এখন লাইফস্টাইল। এর মাধ্যমে যেমন শহরের পরিবহন, লজিস্টিকস ও গিগ অর্থনীতি (অস্থায়ী চাকরির প্রাধান্য। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান স্বল্পমেয়াদি চুক্তিতে স্বতন্ত্র কর্মীদের (ইনডিপেনডেন্ট ওয়ার্কার্স) নিয়োগ দেয়। পূর্ণকালীন কর্মীদের চেয়ে ফ্রিল্যান্সারদের গুরুত্ব বেশি এবং বেশির ভাগ কাজ এই ফ্রিল্যান্সাররাই করেন) পুরোপুরি বদলে গেছে, তেমনি পাঠাওয়ের ফিনটেক উদ্যোগ বাংলাদেশের আর্থিক খাতের দৃশ্যপট বদলে দেবে।

    ফাহিম আহমেদ আরও বলেন, পাঠাও ফিনটেকেও অগ্রগতি করেছে। নিয়ে এসেছে ডিজিটাল ওয়ালেট ‘পাঠাও পে’ এবং দেশের প্রথম ও সবচেয়ে বড় ‘বাই নাউ পে লেটার’ সেবা ‘পাঠাও পে লেটার’। পাঠাওয়ের মেশিন লার্নিং পদ্ধতির কারণে ‘পে লেটার’ ইতিমধ্যেই লাভজনক হয়ে উঠেছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, পাঠাওয়ের ফিনটেক সেবা ও ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে ৫০ লাখেরও বেশি তরুণ পেশাজীবী এবং ৫ লাখেরও বেশি প্রযুক্তিভিত্তিক ছোট ব্যবসায়ী আর্থিক সমাধান পাচ্ছেন।

    ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে পাঠাও এক কোটিরও বেশি গ্রাহককে সেবা দিয়েছে এবং বাংলাদেশের গিগ অর্থনীতি ও ছোট ব্যবসায় পাঁচ লাখেরও বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।