বাংলাদেশের যশোর অঞ্চলের বেনাপোল সীমান্তে একদল ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর তাদের ‘নো ম্যানস ল্যান্ড’ বা ‘জিরো লাইনের’ কাছেই জড়ো করে রাখা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনাস্থলের কাছে বাংলাদেশ সীমান্তে থাকা বিবিসির সংবাদদাতা নাগিব বাহার জানান, জড়ো করা লোকজনকে খালি চোখে দেখা না গেলেও তাদের ব্যবহৃত দ্রব্যাদি মঙ্গলবার বিকেলেও দেখা গেছে।
যশোরের রঘুনাথপুরের বিজিবি কমান্ডার লে. কর্ণেল সাইফুল আলম খান বলেছেন, তারা অবৈধভাবে কাউকে ‘জিরো লাইন’ ক্রস করতে দেবেন না।
তবে ভারতীয় কর্মকর্তারা কোনো ধরনের পুশ ইন-এর খবর অস্বীকার করেছেন। তারা বলেছেন, শুধু ওই পেট্রাপোল (বেনাপোলের দিকে ভারতীয় সীমান্ত) অঞ্চলে নয়, অন্য জায়গা দিয়েও কাউকে পাঠানো হয়নি।
এদিকে ঢাকায় মঙ্গলবার বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেছেন, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাইয়ের মাধ্যমে কোনো তালিকা পাঠালে আইন অনুযায়ী রিপ্যাট্রিয়েশন প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে কিন্তু এখন পর্যন্ত তেমন কোনো তালিকা সরকার পায়নি।
তিনি আরও বলেছেন, বর্ডারে আমাদের বিজিবি অ্যালার্ট আছে। আমরা যে কোনো ধরনের ইল্লিগ্যাল পুশ ইন বা পুশ ব্যাক এগুলোর বিপক্ষে।
প্রতিনিধির নাম 

















