প্রথমবারের মতো টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে জায়গা করে নেয় বাংলাদেশের সিনেমা ‘সাবা’। জানা গেছে, সিনেমাটি নিয়ে প্রবাসী দর্শকদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক দর্শক ও সমালোচকদের আগ্রহ ছিল অনেক বেশি। যে কারণে ‘সাবা’র প্রিমিয়ারে পরে বিভিন্ন দেশের গণমাধ্যমের মুখোমুখি হতে হয় অভিনেত্রী মেহজাবীনদের।

সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেহজাবীন বলেন, ‘একজন অভিনেত্রী এটাই চান যে পর্দার চরিত্রের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়া যায় বা আঁকড়ে ধরা যায় এমন চরিত্রে রূপ দেওয়া। এ ধরনের চরিত্রে আমি আগে অভিনয় করিনি। যে কারণে সাবা চরিত্রটি ছিল আমার জন্য একেবারেই নতুন অভিজ্ঞতা। এই চরিত্র আমার জন্য প্রথম এবং নতুন অভিজ্ঞতা।’

মেহজাবীন চৌধুরী। ছবি: ফেসবুক

পক্ষাঘাতগ্রস্ত এক মায়ের প্রতি মেয়ের যত্নশীল এই চরিত্রটি ছিল মেহজাবীনের কাছে আবেগের নাম। অভিনয়ের সময়েও যেমন তিনি আবেগাপ্লুত হয়েছেন, তেমন সিনেমাটি দেখেও অনেক দর্শকের সঙ্গে কেঁদেছেন। যে কারণে তাঁর চরিত্রকে অনেক সাহসী হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন এই অভিনেত্রী।

মেহজাবীন বলেন, ‘সিনেমাটির জন্য অনেক রিহার্সাল করেছি। কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে। এটা একই সঙ্গে আমার পরিচালকের শাশুড়ির কথা, চিত্রনাট্যকারের মায়ের গল্প। যে কারণে অনেক গভীরভাবে চরিত্র সম্পর্ককে আলোচনা করতে পেরেছি।’

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *